বাংলা - কলেজ পড়ুয়ার যৌনতা ---২য় কিস্তি
তাই আমার দূরবীন পিছু ধাওয়া করবে সেই বালিকাবেলা-পার বিদগ্ধ যুবতীর যে এরপর দেখবে সিনিয়র দিদিরা কিভাবে অকারণেই কারণ খুঁজে ঢুকে পড়ে স্যারের ঘরে,কিভাবে তারা স্যারের সাথে ফেসবুকে ছবি টাঙায়, কি তদগত ন্যাকামিতে ক্লাসের মায় পুরোদিন কাজের পরেও নেপালদা কি ভূপালদার চায়ের দোকানে স্যারনায়কের বিদগ্ধ বাণী শুনে ঋদ্ধ হয়।হ্যাল বাড়ে।হ্যাল থেকে মুগ্ধতা, মুগ্ধতা থেকে স্যারের মেয়ের পুজোর ফ্রক পছন্দ করতে স্যারের সংগে বিগবাজাবিগবাজারর সেরে আমিনিয়ায় ডিনার।এই পুর যাত্রাপথটার মধ্যেই সে কিন্তু জেনে গেছে এগুলোর সংগেই সম্পর্কিত তার সেমের নং।এটাই শ্রেষ্ঠত্ব- লাভের সহজ পথ।পথ দেখিয়ে দিয়ে গেছে দিদিরা,সে
শুধু পথ ধরে এগিয়ে গেলেই সিদ্ধি।এই পথটাকে তুমি বেশ্যালয়ের পথ বলতেই পারো। এবং বলোও,এসব শুনলে ওরা দেখবে ফেসবুকে স্ট্যাটাস লটকেছে "I'm a hore'' বাবারে!বেশ্যারা যদি এতো স্পষ্ট করে নিজেদের মেলে দিতে পারতো!!আমার দুক্ষু হলেও চলবে না,এটাই বাস্তব, দিনের শেষ-এ যে জিতবে সেই সিকান্দার।আর এই দিদিরা যদি বারবার বেশি নং পেতে থাকে,এম.ফিল কি পি.এইচ.ডি - তে চান্স পেতে থাকে তবে কি আমাদের এই বাচ্ছা মেয়েটার মাথা ঘুরে যাবে না? যাবে।অন্তত যাওয়াটায় দোষ তো দেখি না।তো দোস্ত, এতো ছাত্রীবৃত্ত-এ অধ্যাপক-বিলাসের কাহিনী। কিন্তু এটাই কি সব? মোটেই না। এটা তো ধরুন একেকটা শিক্ষাবর্ষ-এ ১০/১২ জন মেয়ের গল্প।বাকিরা? তারা কিভাবে করে যৌবন- উদযাপন? সে গল্পও বেশ আমোদ-প্রবণ। এদের একদল এসেছে গ্রাম- মফস্বল থেকে,তো একদল ব্যাপক শহুরে, এক্কেবারে লাটসাহেবের বাঁট।
এখন এই লাটের বাঁটেদের নিয়ে নাহয় শেষদিকে একটু খিল্লি করা যাবে।না করলেও ক্ষতি আছে বলে মনে হয় না।কারণ লাটবাবুর এইসব লাট্টুরা চারপাশে কি ঘটছে তাই নিয়ে আদৌ ভাবিত নয়।তাদের কাছে লক্ষ্মীঠাকুর না চাইতেই ধরা দিয়ে বসে আছে,তাদের এখন দরকার হাল্কা করে একটু বিদ্যা-সরস্বতীর টাচ।তবে এলিতেলি কালেজ থেকে পাশ করলে এক্কেরে জাত যায় বলেই তারা এই নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে ঢোকে।এদের দরকার রম্ভা,মেনকা,উর্বশী। চাহিদা যেমন আছে অপ্সরাদের যোগানও তেমনি সমানুপাতিক। তবে এসব প্লেন কেচ্ছার পরোটা পরে ভাজলেও চলবে এখন দেখতে পাচ্ছি বাকি ৯০% নয়নার চুলবুলানি। তাদের একদলও নতুন কলেজ আসার স্বাধীনতা পেয়ে কুলুকুলু বইছে।শুধু তারা ঠিক করে উঠতে পারছে না তরুণ অধ্যাপকে হ্যাল খাওয়াটা উচিত কি না।কারণ ওই মধ্যবিত্ত মুল্যবোধ।সে নিজেকে বোঝানোর সংগে সংগেই নিজের জেনেটিক কেঁচোচক্রকে বোঝাতে পেরেছে যে যেখানে সেখানে চুদুরবুদুর ভেরি রিস্কি।
অতএব এই মধ্যবিত্ত ছাত্রীরা যারা নিজেদের শিকারজ্ঞানে শামুকের শুঁড়ের মতোই নিজের খোলায় ঢুকিয়ে রেখেছিল তারা যখন দেওয়ালে দেওয়ালে দেখে 'আমার শরীর আমার মন/দূর হটো রাজশাসন ' ঘাবড়ে যায়, উত্তেজিত হয়ে যায়, বাড়ি ফিরে এই প্রথম নিজের শরীরের উঁচুনীচুগুলো টিপেটুপে দেখে আর উত্তেজনায় উশলে উঠে ঠিক করে নেয় যে তার দুনিয়া সে নিজে সাজাবে।এই পর্যন্ত মেয়েটা যেভাবে চলল সেই চলার পথটা তাকে দেখিয়েছিল ওই আলোকপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটার নিজস্ব ধাঁচা। সেই ধাঁচাই তাকে আরো প্রিসাইসলি শিখিয়েছিল নিজের মতো হতে।আর এটাই তো সত্যি বলতে কি প্রকৃত শিক্ষার জায়েজ।কিন্তু এই ছাড়টা যেহেতু মামনির কাছে অভাবিতপূর্ব তাই সে এই হঠাৎ পাওয়া ছাড়ের ধাক্কায় ছড়িয়ে ফেলবে।প্রথম সে সাজগোজ পাল্টাবে,তারপর ভাষায় একটা আলতো বিদেশী টান আনবে।চুলে ফ্যাশন মচাবে এবং এগুলো সবই করবে নির্জলা অন্যদের দেখাদেখি অথচ ভাবটা এমন যেন সে খুব অনন্য কিছু বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছে!বিপ্লবের পটকায় আগুন লাগাবার জন্যে শুধু যেটা বাকি থাকলো সেটা হলো যৌনতা। কাম শব্দটা এক্ষেত্রে ব্যবহার করলাম না কারণ, সেক্সুয়ালিটিকে কাম বললে মনে হয় যেন গণ্ডিটা ছোটো করে আনা হল।
এরা তো ইতিমধ্যেই জেনে গেছে যে এরা কারো ভোগ্য নয়।নোংরা সব মাগী - শিকারিদের থেকে দূরে ইতিমধ্যেই এরা পেয়ে গেছে স্বাধীন বিচরণের স্বক্ষেত্র।আর চারপাশের পুরুষ- সমাজ? বুদ্ধর সব বরপুত্র অথবা মাও-এর মুক্তির মন্ত্রে দীক্ষিত।
চলবে...
বেশ ভালো
ReplyDeleteপড়তে থাকো।আর ফিড ব্যাক দিও।
Deleteপড়তে থাকো।আর ফিড ব্যাক দিও।
DeleteCholuk.
ReplyDelete