বাংলা কলেজ - পড়ুয়ার যৌনতা --- ৩য় কিস্তি
যাই হোক সেইসব উদারহৃদয় দাদাদের সংগেই এই মেয়েদের কারো আলাপ হয়ে গেল।আলাপ করালো এক দিদি।ফ্রি - মিক্সিং - এর এই দুনিয়ায় দা আর দি-তে প্রভেদ কী?।অতঃপর লিঙ্গ- বৈষম্যহীন এই ক্যাম্পাস দুনিয়ার আইন মোতাবেক দাদা- দিদি পরিবৃত হয়ে সে বুঝতে শিখলো সিনিয়ররাই আসল হিরো।তারা স্যারদের প্রপিতামহ। তাদের কাছেই রয়েছে অধিক মার্ক্সপ্রাপ্তির চরম হদিশ। তাই মার্ক্স কিম্বা মাও আলোচনার ফাঁকে একটু ঘেঁষাঘেঁষি বাড়লো।তারপর একদিন দুপুরে দাদা তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নিলো।তারপর জখমটা যখন সে বুঝলো ততদিনে সে মাথায় ঢুকিয়ে ফেলেছে যে এটাই স্মার্টনেস,এটাই অগ্রগতি।ভাবনার আপোষটাকে সে বুঝতেই পারলো না আর।অজান্তে সেই আবার নতুন জালে পুরনো খরগোশ ধরা পড়লো তার।এখন প্রশ্ন হলো আমার এই লেখাটা কি একটু পুরুষ - তান্ত্রিক মানে যাকে ইংরেজিতে বলে মেল-শভিনিস্ট সেইরকম একটা দিকে টাল খাচ্ছে? খেলো তো খেলো।এই লেখাটায় তো আমি কোনো শিল্পগড়ন- পুল্টিস মারার চেষ্টা করব না।এখানে আমি খুব সৎ আর স্বচ্ছভাবে সেইটেই লিখে যাব যেটা আমার সময়ে নিরন্তর মানে ১২মাস ২৪ঘণ্টা এই A ক্যাটাগরির বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ঘটে চলেছে। এই যে দু নম্বর গ্রুপের যৌন লব্জটা লিখলাম সেটা কি আমাদের আলোচনায় ১০০ জনের থেকে দশ বাদ গিয়ে পড়ে থাকা মানে বাকি নব্বই জনের কাহানি? মোটেও না।এটা এই ধরুন জনা ৩০/৪০-এর অভ্যাস। তবে যে ৫০/৬০ %মেয়ে পড়ে রইলো?বলেইছি তো তাদের মধ্যে ১০টা বড়লোকের ছেঁয়ি।তারা তো টেঁই টেঁই করবেই।তারা একজন কুল (এই 'কুউল' ব্যাপারটা ঠিক কি তা বুঝতে গেলে একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। কারণ এই কুলেরাই সবচেয়ে হট।)বয়ফ্রেন্ড জোটাবে।এখন আপনারা নিশ্চয়ই জিগেস করে বসবেন এই বয়ফ্রেণ্ডটা আবার কি জন্তু? এরা জন্তু না,আবার জন্তুও বটে। এরা একটা বিশেষ স্পিসিস।এদের যেকোনো ক্লাসে বা ক্লাসের বাইরে,বারে বা বাজারে পাওয়া যায়। উদ্ভিন্নযৌবনা কলহাস্যমুখরা কলেজনন্দিনীরা এদের নিজেদের বাইকবিলাসের উপকরণ/আইনক্স যাওয়ার সঙ্গী/বারেবারে বারে ফেরার ইন্ধন /খড়কেকাঠির সুচালো মাথা বলে মনে করে। এই বয়ফ্রেণ্ডের সংগে অধুনা ফুল্টুস মস্তি করার জন্যে এদের বাপ- মা অল্পসল্প মানে এই ধরুন দিনে হাজার/দুহাজার এমনিই দেয়।একটু চাপাচাপি করলে ৫/১০দিতেও খামতি থাকে না।ফলে এরা টিভির চ্যানেল ঘোরানোর মতোই বয়ফ্রেন্ড নামক বাঁধাজন্তু পালটে ফেলে।এদের তেলচুকচুকে দেহভাণ্ডটির কৃপায় এদের কামসরোবরে পদ্মের অভাব ঘটে না।কিন্তু আমাদের গন্তব্য এখন এই দশভাগ চিরচপলার ইরোটিকা নিয়ে খাবলাখাবলি করা নয়,আমরা এগোবো সেইসমস্ত বিদগ্ধ যুবতীর কলকলানির ভিতরে যারা সফিস্টিকেশানের রাংতামোড়া পানের খিলিতে যৌবনের পিড়িক মচাতে থাকে।
এখন আরও ভেতরঘরে তুরপুন ঘোরাতে ঘোরাতে মনে হল পুরো গপ্পটা যে আঁচের ওপর ব্লগব্লগাচ্ছে সেই মনের উনুনটাও একটু খুঁচিয়ে দেখাটা বিধেয়।এখন কথা হল যে মনের গঠন নিয়ে বিভিন্ন মহাপুরুষ বিবিধ কলাচর্চা করে আসছেন সেই আদ্যিকাল থেকে।সেইসব চর্চার থেকে যেটা বুঝেছি সেটা হল যৌনতা- অভ্যাসটা সময় আর স্থাননির্ভর।সুতরাং বাঙালি কলেজ পড়ুয়াদের নারী - পুরুষ - সংগের কিসসায় মোটামুটি ১৯৬০উত্তর সময়টাই ধরতে হবে।এর আগে কি তাবলে কলেজ-পড়ুয়ারা যৌনতা করে নি।করেছে নিশ্চয়ই।কেরিসাহেব আসার পরে যে কলেজ-প্রতিষ্ঠা হল তাতে তো আর মেয়েরা যোগ দিতে পারে নি! তবুও এগিয়ে থাকা ছেলে - ছোকরারা বারেবারেই প্রেমে পড়েছে।মাননীয় পাঠক, আপনার নিশ্চয়ই দক্ষিণার কথা মনে আছে,যে দক্ষিণা তার প্রবাদপ্রতিম শিক্ষকমহাশয় ডিরোজিওর বোনের সংগে তুমুল প্রেম করেছিল।
চলবে...
Comments
Post a Comment