সম্পর্ক ---অমোঘ মায়াকাজল
সম্পর্ক।একটা মানুষ তার গোটা জীবনটা জুড়ে কত হাজার হাজার সম্পর্কের বিনি সুতোর মালা গেঁথে যায়। এই যে আমাদের চলাচল।থামা।আবারও চলা। সমস্ত কিছুর খাঁজে খাঁজে শ্যাওলার সবুজের মতো জমে ওঠে সম্পর্ক।এই যে সংযোগ তার মূলে রয়েছে কিছ্য দেওয়া-নেওয়া,কিছু শরীর-মন।মন।এই ব্যাপারটাই বুঝতে শেখায় সম্পর্ক। কিন্তু বোধ কি সম্পর্কের ঠিকঠাক ধরতাই? না বোধহয়।মন নয় শুধু।সম্পর্ক বিষয়টাকে মনের দেওয়ালে লতিয়ে নিয়ে চলে স্মৃতি। কুকুরের স্মৃতিশক্তি কম।মাত্র তিনমাস পরেই সে ভুলে যায় এমনকি সন্তানের মুখ। তাই সম্পর্ককে কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর চাপ নেই কুকুরাদি পশুর।কিন্তু মানুষের স্মৃতি বড়ো ছ্যাঁচড়া। সে খালি মনে করাতে থাকে হারিয়ে যাওয়াগুলো।প্রতিদিন আমরা জড়িয়ে যাচ্ছি কতো নতুন নতুন সম্পর্কে। একটা গোটা জীবনে একটা লোক লাখ লাখ সম্পর্কের ভিতরে হেঁটে চলেছে।বেশিরভাগ সেইসব সম্পর্ক ইনফর্মাল।সেসব সম্পর্ক আসে,ভেসে যায়, দিয়ে যায় বিরহের নীল।যে ভাবে সে স্মৃতির ভিতর জলে কখনো হঠাৎ খুঁজে পায় ভেসে যাওয়া সম্পর্কের গুলাল।স্মৃতির শিয়রে জ্বলে ওঠে শীর্ণ বাতির আলো।মুহূর্ত থমকে দাঁড়ায় হয়তো।অনিবার্য-এর সামনে সে দেখে কিছু ঝরা পাতার মর্মর। বুকের গভীর ভাঁজে কোনো গাঙচিল নেমে আসে তার। জলে দুম করে ঢিল পড়ার শব্দ হয়।একটা ঢেউ।কয়েক মুহূর্তের। আবার জল থিতিয়ে যায় জলেরই নিয়মে।হারানো সম্পর্কের হিম ডুবে যায় আবার অতলে।
আমার ব্যাপারটা ভারী অদ্ভুত। মানবিক সম্পর্কগুলো আমার কাছে থাকতে চায় না।ক্রমাগত পিছলে পিছলে যেতে থাকে কারণে, অকারণেও। মানবিক সম্পর্ক বললাম। কুকুর,বিড়াল,পাখি,মাছের সঙ্গেও সম্পর্ক তৈরি হয় আমাদের। আমার।কিন্তু পাশবিক সম্পর্কগুলো আমার কাছে এমনিতেই এতো কম সময়ের যে সেসব বলার নয় কখনোই।এই প্রসঙ্গেই মনে হলো মানুষের কুকুর-বিলাস।কুকুর ব্যাপারটা নিয়ে একধরণের আরোপিত আদিখ্যেতা ইদানীং দেখতে পাই।এও এক ধরণের সম্পর্ক।কেউ হয়তো মনে করে ভালোবাসার।তবে আসল কথাটা হল এই সম্পর্কে ভালোবাসার থেকে অনেক বেশি রয়েছে করুণা-প্রদর্শন।মানে ব্যাপারটা অনেকটা এইরকম যে আমি কতো নরম মনের মানুষ দেখো।যাই হোক এই কুকুর-কালচারের ভিতর-বাহির নিয়ে অন্য কোথাও আলোচনা করা যাবে।এখন প্রসঙ্গটায় ফিরি।প্রসঙ্গ সম্পর্ক।এই যে ট্রেনে করে রোজ যাই আসি।প্রতিদিনই পাশের যাত্রীদের সঙ্গে একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। সে সম্পর্ক কখনো ভাষা পায়।কথা হয় দু-একটা। কখনো ভাষাহীন। নিত্যযাত্রীদের মধ্যেও এমনই সম্পর্ক তৈরি হয় তো।আবার বন্ধুত্ব হতেও দেখেছি।যেতে যেতে রোজ দেখি এইসব। নারী -পুরুষের এক-একটা দল খলবল করছে।ফেরিওলা হেঁকে যায়। তার সঙ্গেও কেনাকাটার দেওয়া-নেওয়ায় তৈরি হল সম্পর্ক।কয়েকদিন এক স্বনামধন্য মনোবিদের সঙ্গে কথা বলার অবকাশ হয়েছিল আমার তার মতামত ছিল, সম্পর্ক হল একটা নিড।প্রয়োজন। মানুষ থেকে গাছ সকলেই সম্পর্ক তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজনের আদান - প্রদানের জন্য। আমি মনোবিদের সঙ্গে কথা শেষ করি। ভাবি।ভাবতে ভাবতে যাই। যেতে যেতে পায়ের সামনে পড়লো একটা নুড়ির টুকরো।সরে এলাম।সম্পূর্ণ অস্বীকার করেই চললাম তাকে। সম্পর্ক হলো না।কিন্তু তারপরেই তো চা খেতে দাঁড়ালাম কোথাও।ভাঁড়ে খাচ্ছি।চা শেষ। ভাঁড়ের দরকার শেষ। তবু আছড়ে ভেঙ্গে ফেলতে গিয়েও মায়া হলো কেমন। আলতো করে নামিয়ে রাখছি পাশে।তাহলে?তাহলে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল ভাঁড়টার সঙ্গে। সামান্য।মুহূর্তের।আর হ্যাঁ।প্রয়োজন ছাড়াই।
আমার ব্যক্তিগত সমস্যাটা হলো, সম্পর্কগুলো আমার কাছে এসে পড়ে দুম করে,হঠাৎ,প্রয়োজন ছাড়াই।তারপর সম্পর্কগুলোর সঙ্গে আমি হেঁটে যাই। কিন্তু তারা আমার কাছ থেকে হারিয়ে যায় হঠাৎ।যেভাবে এসেছিল সেভাবেই।আকস্মিক। দুম করে। আমার কাছ থেকে তাহলে কিছু চেয়েছিলো তারা?ওই যাকে বলে প্রয়োজন, সেই প্রয়োজনে এসেছিল কাছে।আমি কী মেটাতে পারি নি ওদের প্রয়োজন? 'হাতেই কোনো দোষ ছিল কি তবে?' ভাবতে ভাবতে কতো বিচিত্র দিকে চলে যায় মন।আচ্ছা আমরা তো সম্পর্কের কতো বিভিন্ন রঙ নিয়ে খেলা করি আজীবন। তাই না? এদের মধ্যে যেসব সম্পর্কগুলো ফর্ম্যাল?ধরুন, অফিসে, স্কুলের স্টাফরুমে যেসব সহকর্মীর সঙ্গে দেখা হয় রোজ। তাদের সঙ্গে তৈরি হয় কেজো সম্পর্ক।কখনো সেইসব কেজো সম্পর্ক তার ওই প্রয়োজনের অংশটা পেরিয়ে যায় না?যায়। হয়তো যায় একটু - আধটু।কখনো দেখি সেসব সম্পর্ক ট্রেনে চড়ে বসলো।পাশাপাশি হাসতে,চলতে, কথা বলতে বলতে দুটো-একটা সম্পর্ককে হাতের উপর হাত রাখতেও দেখি নি যে তা নয়।তবে সেসব ওই দুটো - একটাই। যেমন ধরুন ওই নিত্যদিনের ট্রেনে দেখি যাত্রীদের হইহই।নারী-পুরুষের ঢলোঢলো সম্পর্কের উদযাপন। তারই মধ্যে দেখি যে কেউ চুপচাপ তাকিয়ে আছে কারো দিকে।দুজনেই কোনো কথা বলে না।প্রতিদিন তারা আসে।দূরে দূরে দাঁড়ায়।চলতে চলতে চকিতেই চোখাচোখি হয় দুজনের। দূরে দাঁড়িয়ে দেখি একমুহূর্তের জন্য আলো জ্বলে উঠলো দুজনের চোখে।কিন্তু ওই মুহূর্তই।খুব ভালো করে দেখি রোজ।ওরা কথা বলে না।নীরব একটা সম্পর্ককে লালন করে চলে ওরা। এই নীরবতা আমার প্রিয়।তবু নিজের সম্পর্কগুলোর ক্ষেত্রে কী যেন একটা অভিশাপ কাজ করতে থাকে গোপনে। হয়তো ঠিক যখনিসম্পর্কের কাছে গুটিসুটি বসতে চেয়েছি তখনই সম্পর্ক আমাকে ছেড়ে অন্যত্র হারিয়ে গিয়েছে।এখনো যে সম্পর্কের কাছে নিজের সব ভার নামিয়ে দিতে ইচ্ছে করে রোজ,ভয় হয় সে সম্পর্ক আবার সরে যাবে কিনা। সম্পর্ক তো কোন ছার!ধ্রুবতারাও সরে যায় ক্রমাগত।ধ্রুবতারার কথায় মনে পড়ল তারাদের সঙ্গে,চাঁদ,ফুল,মাটি,গাছ, প্রকৃতির সঙ্গে কী নিবিড় সম্পর্ক আমাদের। কখনো হারায় না এই সম্পর্ক? হারায় তো! আমরাই হারিয়ে ফেলি তো। কতোদিন গাছের কাছে বসি না আমরা।উন্নয়ন বলে একটা বখাটে শব্দ ছুঁড়ে দিয়ে কেটে ফেলি একটার পর একটা গাছ।কতদিন তাকাই নি আকাশে।প্রয়োজন নেই বলে? কে জানে?সত্যিই প্রয়োজন নেই! আমার সম্পর্কগুলো ভেঙ্গে যাওয়ার জন্যে একমাত্র আমিই দায়ী। আমিই পারি নি তাদের ধরে রাখতে।এক একটা সম্পর্কের সঙ্গে আসলে নিবিড়তা তৈরি হয় আমাদের। প্রয়োজন, সাধ,স্বপ্ন,আশা। আসলে সম্পর্কগুলোর কাছে আশা করে ফেলি অনেক। আশা করলেই সম্পর্ক দমবন্ধ হয়ে মরে।আশাহীন সম্পর্করা কী তবে বেঁচে থাকে চিরকাল? থাকে না। ওই যে ট্রেনের কামরায় চুপচাপ তাকিয়ে থাকা সম্পর্ক সময়ের নিয়মেই একদিন হারিয়ে যায়। তবু নিশ্চয় থেকে যায় স্মৃতি। 'সে চলে গেলেও থেকে যাবে তার গন্ধ আমার হাতের ছোঁয়ায়'। একটা মেয়ে খুব ভোরে আমার জন্যে নিয়ে আসতো শিউলি ফুল।আমি সেই ফুলগুলো হাতের ভিতরে ধরে থাকতাম বহুক্ষণ। যতক্ষণ তার গন্ধ হাতের ভিতরে লেপ্টে থাকে।মেয়েটা চলে যেত। থেকে যেত গন্ধ।একসময় গন্ধও চলে যেত, থেকে যেত গন্ধের স্মৃতি, আর অপেক্ষা।আবার কখন সে নিয়ে আসবে ফুল।অপেক্ষা।সম্পর্কের আসল চাবি এই অপেক্ষা।সম্পর্ক কি সত্যিই আমাদের প্রয়োজনগুলো মেটায়?এখন একমাত্র যার সঙ্গে আমার সম্পর্ক গোটা পৃথিবীর হারিয়ে যাওয়া যে সম্পর্কটার কাছে বসলে, তার কাছে আমার কি প্রয়োজন? অনেক কিছু। আবার কিছুই না।এসব বললে মনোবিজ্ঞানীর হয়তো চলবে না।তিনি বলবেন সম্পর্ক সম্বন্ধে আপনি সাবজেক্টিভ হোন।কেন এই সম্পর্ক সেটা বুঝতে শিখুন।ফ্রয়েডের ইদিপাস কম্পলেক্স খুলে বসবেন মিলিয়ে দেখতে। মিলেও যাবে হয়তো।কিন্তু সত্যি কি মিলবে? বাকি থেকে যাবে না একটুও।ভাবতে ভাবতে হাঁটি আর মনে হয় ' জুতো হেঁটে যাচ্ছে পা রয়েছে স্থির'। জুতোর সঙ্গে পায়ের সম্পর্কে কে কার উপর নির্ভর করে।পা জুতোর ওপর?না জুতো পায়ের ওপর?যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণ সম্পর্ক ওদের।কাজ ফুরোলেই পাজি। পা জুতোকে ভুলে যায়। কোনো স্মৃতিও থাকে না আর।এরকমই কেজো সম্পর্কগুলো আমাদের। পেশাদারি সম্পর্ক।যতক্ষণ দরকার ততক্ষণ কাছাকাছি। যে মুহূর্তে স্বার্থ শেষ, সম্পর্ক শেষ।তবু আমরা এইসব সম্পর্ককে মাঝেমধ্যে ভুল করে কাজ থেকে অকাজে নিয়ে ফেলি।সম্পর্কের ইলাস্টিক টেনে বাড়াতে চাই।তাই ছিঁড়ে গেলে কষ্ট পাই।ব্যর্থতার কষ্ট।ভুল ভাবার কষ্ট।আসলে সম্পর্ক চিরকালীন হয় না। অনেকে বলে মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক চিরকালীন। আমিও একসময় এই ধারণায় বিশ্বাস করতাম।কিন্তু এখন আর করি না।মা তার সন্তানকে ভালোবাসবে, এই ধারণাটা আসলে সমাজের তৈরি করা ইমেজ। সমাজ,সভ্যতা আমাদের দিকে কিছু ইমেজ ছড়িয়ে দেয় সেই ইমেজগুলো দিয়েই আমরা আমাদের চিনতে শিখি।মা শিখেছে সন্তানকে আজীবন ভালোবাসতে হয়।মা বলতে তার মনে এমন একটা অমেজ তৈরি হয়েছে।ইমেজ ভাঙ্গার সাহস বা স্পর্ধা কোনোটাই তার নেই তাই সে শত অপমানিত হয়েও সন্তানের মঙ্গল কামনা করতে থাকে। আমি এই দেখার দূরবীনের লেন্স উলটোদিকে ঘুরিয়ে দিয়েছি।সমাজের ইমেজ দিয়ে আমি আমাকে দেখতে চাই নি।বরং আমার ইমেজ দিয়ে সমাজকে দেখেছি।আমার সম্পর্কগুলো কেন থাকে না? আমারই দোষে সম্পর্কগুলো হারিয়ে যায় হয়তো। আমি এই সম্পর্কের শবদেহ নিয়ে হেঁটে যাই, একা।কিন্তু যে সম্পর্কগুলো ফর্মাল।সেগুলো? যতদিন শ্বাস তাদের ততদিনই আশ। মাঝেমধ্যে ভুলে গেলেই ছোবল খাই।এই যেমন ধরুন কর্মসূত্রে একটা দূর গ্রামের স্কুলে যেতে হয় আমায়।সেখানে যে সম্পর্কগুলো গড়ে ওঠে সেগুলো সবই ফর্মাল।শুধু ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে ছাড়া।ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে আমার খুব কাছের সম্পর্ক হয় ঠিকই কিন্তু কোথাও একটা সূক্ষ্ম ফারাক থাকে।সেই ফাঁকটা রীতিনিয়ন্ত্রিত।তাই ছাত্রদের সঙ্গে সম্পর্কটা ঠিক আলোচনায় আসছে না।আসছে সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক।ফর্মাল।কাজের ফাঁকে মজা হয়।কারো কারো সঙ্গে একটু বেশি কথা হয়।এই করতে করতে যেই সম্পর্কটায় পাক ধরবে মনে হচ্ছে তখনই কোনো আকস্মিক ঘটনা মনে করিয়ে দেয় সম্পর্কটা পেশাদার। আবার ভাবতে বসি।ভুল তো আমারই।আমিই তো গণ্ডি ডিঙিয়েছি। আবার ফিরে যাই পেশাদারি সম্পর্কে। তাহলে কোথায় মনের ভার নামিয়ে দুদণ্ড বসবো?মানুষের মধ্যে ছায়া খুঁজে যাই। পেয়ে যাই মনের মানুষী।তার আর আমার সম্পর্কে প্রয়োজন বড়ো হয়ে ওঠে নি।বড়ো হয়েছে ছায়া।ছায়ার কাছে কৃতজ্ঞতা। ছায়ার কাছে ভয়।ভয়, যেন সরে না যায় সে।
এইসব নিজের কথা বলছি কারণ সম্পর্ক আমার কাছে জেলিফিশ। যে মনে করে ধ্রুবতারাও তো সরে যায়, তার কাছে সম্পর্ক পিচ্ছিল মনে হতে থাকে।সমাজ যেমন করে আমাকে ছুঁড়ে দেয় ইমেজ আমি সেরকম সমাজকে ছুঁড়ে দিলাম আমার সম্পর্ক-সংক্রান্ত ভয়-ভাবনা।জানি এরা মধ্যবিত্তের মতো নিয়মানুগ সম্পর্কযাপনের বাধ্যবাধকতার কথা বললো না।
সেই ইচ্ছেও তো এই লেখার অক্ষরে নেই। মধ্যবিত্তের অভ্যস্ত কর্তব্যপাথরের বোঝাবহন আর নিড মানে প্রয়োজন মেটানোর নামে সম্পর্কগুলোর সাজানো বিন্যাস আমার লেখার বিষয় কোনোদিনই হয়ে ওঠেনি।অমুকটা কর্তব্য আর তমুকটা রীতি, এই-সমস্ত চাপানো নিয়মকে ভেঙে ফেলাই আমার নির্দিষ্ট কাজ।গতানুগতিকতার নামে গেঁড়ে বসা রাষ্ট্রব্যবস্থার বৌদ্ধিক শাসন ফেকু মধ্যবিত্ত বোঝে না/বুঝতে চায় না।বুঝলে তাদের যে চাপ নিতে হবে,এলোমেলো জীবনের কষ্ট নিতে হবে,তা গড়পড়তা আম-আদমি নেবে কেন? তাদের দোষ দিই না।তারা যেমন নির্বোধ ভেড়াজীবন কাটাচ্ছে তেমন কাটাতে পারি না বলেই হয়তো সম্পর্করা হারিয়ে যায়। নতুন সম্পর্ক আসে। আর আসে অপেক্ষা। অপেক্ষাই চূড়ান্ত সম্পর্ক। মুহূর্ত থেকে অনন্তের দিকে ভেসে যাওয়া স্মৃতির কাজল।
Splendid!
ReplyDeleteSplendid!
ReplyDelete